শুক্রবার, ২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,
৮ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি, বিকাল ৫:৪২

স্ত্রী সন্তানের পর না ফেরার দেশে চলে গেলেন দগ্ধ সোহাগ

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
নারায়ণগঞ্জ সিটিকরপোরেশনের ( নাসিক) ৮ নং ওয়ার্ডের সিদ্ধিরগঞ্জের গোদনাইলের পশ্চিমধনকুন্ডা ( শান্তিবাগ) এলাকায় একটি টিনশেডের বাসায় গ্যাস লাইনের লিকেজ থেকে বিস্ফোরণের ঘটনায় দগ্ধ মো. সোহাগ (৩০) নামে আরও একজন জাতীয় বার্ণ ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে বিস্ফোরণের ঘটনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ৪ জনে৷ সোমবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) বেড নম্বর-১৩-এ চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার মৃত্যু হয় সোহাগের। সোহাগের ৪০ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল৷ সোমবার ৩ মার্চ ভোর রাতের দিকে গ্যাসের বিস্ফোরণে দুটি পরিবারের দগ্ধ নারী ও শিশুসহ ৮ জনকে উদ্ধার করে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়েছিল।
জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের আবাসিক চিকিৎসক ডা. শাওন বিন রহমান বলেন, গ্যাস লাইন বিস্ফোরণ হয়ে দুই পরিবারের নারী শিশুসহ ৮ জন এসেছিল। তাদের মধ্যে চিকিৎসাধীন অবস্থায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে৷ একটি পরিবারে ছিল সোহাগ, রুপালী ও তাদের দেড়বছরের সন্তান সুমাইয়া৷ তারা কেউ বেচে নেই৷ অপরদিকে আরেকটি পরিবারে ছিল মোঃ হান্নান স্ত্রী নুরজাহান আক্তার লাকী, ছেলে সাব্বির মেয়ে সামিয়া ও জান্নাত৷ এ পরিবারের প্রধান হান্নান মারাগেছেন৷
চিকিৎসাধীন রয়েছেন সাব্বির (২৭ শতাংশ দগ্ধ), নুরজাহান লাকি (২২ শতাংশ), সামিয়া (৯ শতাংশ) ও জান্নাত (৩ শতাংশ)। দগ্ধদের মধ্যে অনেকের শ্বাসনালি পুড়ে গেছে। সোহাগের বড় ভাই রুবেল জানান, আমার ছোট ভাই ও তার স্ত্রী ও তাদের সন্তান সুমাইয়া কেউ বেঁচে রইল না৷ মৃত হান্নানের শশ্বুর মোঃ খলিল অভিযোগ করেন বাড়িওয়ালা ইব্রাহিম খলিল প্রথমে দগ্ধদের হাসপাতালে খোঁজ খবর নিয়েছেন৷ কিন্তু আমার মেয়ের জামাতা মোঃ হান্নানসহ ৪ জন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারাগেছে এ খবর পাওয়ার পর বাড়িওয়ালা আমাদেরকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখিয়েছে যাতে থানায় কোন মামলা না করি৷ এখন বাড়িওয়ালা ইব্রাহিম খলিলের মোবাইল ফোন বন্ধ সে আত্নগোপনে রয়েছেন বলে জানাগেছে৷

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন

এই বিভাগের আরও খবর


ফেসবুকে আমরা