শুক্রবার, ২৭শে মার্চ, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১৩ই চৈত্র, ১৪৩২ বঙ্গাব্দ,
৮ই শাওয়াল, ১৪৪৭ হিজরি, বিকাল ৫:৪৩

সাতখুনের মামলায় উচ্চ আদালতের রায় কার্যকরের দাবিতে সিদ্ধিরগঞ্জে মানবন্ধন করেছে নিহতদের স্বজন ও এলাকাবাসী

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধি
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে সাত খুনের মামলায় উচ্চ আদালতের দেয়া রায় কার্যকরের দাবিতে ঢাকা চট্টগ্রাম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের মৌচাক এলাকায় মানববন্ধন করেছে নিহতদের স্বজনরা। শুক্রবার সকাল ১০ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত মানববন্ধন পালন করা হয়৷ মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ সিটিকরপোরেশনের সাবেক প্যানেল মেয়র নজরুল ইসলামের সহধর্মীনি নাসিক ২ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর সেলিনা ইসলাম বিউটি , নুরমোহাম্মাদ ও আবুল খায়েরসহ অন্যান্যরা৷বক্তারা অবিলম্বে উচ্চ আদালতের রায় কার্যকরের দাবি জানান অন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে। ২০১৪ সালের ২৭ এপ্রিল নারায়ণগঞ্জ সিটিকরপোরেশনের প্যানেল মেয়র ২ নজরুল ইসলাম আইনজীবি চন্দন সরকারসহ ৭ জনকে অপহরন করা হয়। ঘটনার তিনদিন পর শীতলক্ষ্যা নদীতে ছসাতজনের লাশ ভেসে ওঠে। সাতজনকে অপহরণ ও হত্যার ঘটনায় নজরুল ইসলাম এর স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি ও আইনজীবি চন্দন সরকারের জামাতা বিজয় কুমার পাল দুটি মামলা দায়র করেন। হত্যাকান্ডের ১১ মাস পর ২০১৫ সালেল ৮ এপ্রিল মামলার তদন্তকারী সংস্থা নারায়ণগঞ্জ জেলা ডিবি পুলিশ দুটি মামলার অভিন্ন চার্জশীট আদালতে দাখিল করেন। চার্জশীটে নাসিক ৪ নং ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা আওয়ামীলীগের সাবেক সহসভাপতি নুর হোসেন, র‌্যাব ১১ এর অধিনায়ক লেঃ কর্নেল তারেক সাঈদ মোহাম্মাদ সাবেক কোম্পানী কমান্ডার মেজর আরিফ হোসেন এবং লেফটেন্যান্ট কমান্ডার মাসুদ রানাসহ ৩৫ জনকে ২০১৭ সালেরর ১৬ জানুয়ারী নারায়ণগঞ্জের একটি আদালত ৩৫ জনকে দন্ড প্রদান করেন। এর মধ্যে ২৬ জনের মৃত্যুদন্ড এবং ৯ জনের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদন্ড প্রদান করা হয়। উচ্চ আদালতে ২৬ জনের মধ্যে ১৫ জনকে মৃত্যুদন্ড বহাল রেখে ১১ জনের মৃত্যুদন্ড কমিয়ে যাবজ্জীবন কারাদন্ড প্রদান করেন এবং বাকী ৯ জনকে দেওয়া কারাদন্ডের রায় উচচ আদালত বহাল রাখেন। মামলাটি বর্তমানে সুপ্রীম কোর্টে ( সর্ব্বোচ্চ আদালত) বিচারাধীন রয়েছে বলে জানাগেছে।

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন

এই বিভাগের আরও খবর


ফেসবুকে আমরা