সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে ১২ বছরের এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগে মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ (২৫) নামে একজন মাদ্রাসা শিক্ষককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল বুধবার (১৯ আগস্ট) দুপুরে নাসিক ৭ নং ওয়ার্ড সিদ্ধিরগঞ্জের কদমতলী নয়াপাড়া এলাকার তানজিলুল কোরআন প্রি-ক্যাডেট মাদ্রাসা থেকে অভিযুক্ত শিক্ষককে গ্রেপ্তার করা হয়।
অভিযযুক্ত শিক্ষক টাঙ্গাইল জেলার নাগরপুর উপজেলার শান্তিনগর এলাকার মো. লিটন মিয়ার ছেলে। তিনি সিদ্ধিরগঞ্জের কদমতলী নয়াপাড়া এলাকার তানজিলুল কোরআন প্রি-ক্যাডেট মাদ্রাসার শিক্ষক। ঘটনাটি ঘটেছে একই এলাকার রিপন মিয়ার বাড়িতে৷
ভিকটিম শিক্ষার্থীর বরাত দিয়ে তার অভিভাবকরা জানায়, শিক্ষক আব্দুল্লাহ গত মঙ্গলবার দুপুরে মাদরাসার ছাত্র দোকানে যাওয়ার পথে ওই শিক্ষকের সাথে ছাত্রের দেখা হয়৷ তখন শিক্ষক ছাত্রকে বলেন কোথায় যাও ছাত্র জানায় দোকানে যাচ্ছি৷ শিক্ষক ছাত্রকে বলেন তোমার বাসায় কে আছে তখন ছাত্রটি বলেন মা বাসায় নেই৷ এ কথা শুনে শিক্ষক বলেন তোমার বাসায় গিয়ে তোমাকে পড়াতে হবে বলে ছাত্রের বাসায় গিয়ে শিক্ষার্থীকে ভ বলাৎকার করেন। এ ঘটনা কাউকে বললে মারধর করাসহ ভিকটিমকে বিভিন্ন ভয় দেখান। বুধবার রাতে তার মা বাসায় এলে ভিকটিম তার মাকে ঘটনা জানিয়ে দেয়। ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হলে স্থানীয়রা ক্ষিপ্ত হয়ে মাদ্রসায় গিয়ে অভিযুক্ত শিক্ষককে ধরে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন। তখন পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করে থানায় নিয়ে যান।
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ওসি মোহাম্মদ এমদাদুল হক জানান, স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মাদ্রাসার একজন শিক্ষককে গ্রেপ্তার করে। তার বিরুদ্ধে মাদ্রাসার এক শিক্ষার্থীকে বলাৎকারের অভিযোগ আনা হয়েছে। মামলা দায়ের করা হয়েছে৷ মাদরাসার সুপারেন্ট হাফেজ মাওলানা মোঃ মনির হোসাইন বলেন ঘটনাটি দুঃখজনক, ওই শিক্ষক স্ব ইচ্ছায় এখানে এসেছে৷ ওর বড় ভাই কে আমরা সিলেক্ট করেছিলাম, কিন্তু সে আসেনি তার অনুরোধে তাকে রাখা হয়েছে৷ দুই সপ্তাহ ধরে এখানে আছে৷ আমাদের পছম্দ হয়নি তাকে৷ আমরা নতুন শিক্ষক নিয়োগের সার্কুলার দেব ঠিক এ মূহুর্তে এ জগন্য কাজটি করে আমাদের প্রতিষ্ঠানের বদনাম করলো বলে মাদরাসার সুপারেন্ট হাফেজ মাওলানা মোঃ মনির হোসাইন জানান৷ স্থানীয় বাসিন্দা মোঃ জাকির হোসেন ও মোঃ আকরাম বলেন মাদরাসার শিক্ষক জগন্য কাজ করেছে৷ এলাকাবাসী তাকে গনধোলাই দিয়ে পুলিশে সোপর্দ করেছে৷