শাহজাহান জনিঃ
বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেছেন,
স্বৈরচারী শেখ হাসিনার পতন হয়েছে দেশ ছেড়ে পালিয়েগেছে৷ তার নির্দেশে ছাত্র জনতাকে গণ হত্যা করেছে৷ তার নেতৃত্বে তার মন্ত্রীরাও খুন গুম, লুট,অপহরণ করেছে৷ দেশের টাকা বিদেশে পাচার করে দেশকে একটি তলাবিহীন ঝুঁড়িতে পরিনত করেছে৷ এই খুনি হাসিনার বিচার বাংলার মাটিতেই হবে প্রত্যেকটি খুন গুম, লুট টাকা পাচারসহ সব অপরাধের বিচার হবে৷
গত ১৬ আগষ্ট শুক্রবার বিকেলে ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়কের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইল চিটাগাংরেডে একটি শপিংমলের সামনে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপি ও সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির অঙ্গসংগঠনের উদ্যোগে ছাত্র জনসমাবেশ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন নাসিক ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভা সদস্য অকিল উদ্দিন ভুঁইয়া।বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির নির্বাহী সদস্য ও নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেছেন গণহত্যার নির্দেশদাতা খুনি হাসিনার পতন হয়েছে। খুনি হাসিনা ২০০৯ সালে বিডিআর হত্যাকান্ড চালিয়েছে। ২০১৩ সালের ৫ই মে মতিঝিল শাপলা চত্বরে হেফাজতের অনেক আলেমদের হত্যা করিয়েছে। ২০২৪ সাথে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি খুনি হাসিনার নির্দেশে গণহত্যা করা হয়। খুনি হাসিনাকে মাফ করা হবে না বলে জানান। হাসিনাকে এখন বিশ্বের কোন দেশ জায়গা দিচ্ছেনা। তিনি আরও বলেন, আওয়ামীলীগের দোসররা এখন বিএনপির সাথে মিশে বিভিন্ন অপকর্ম করছে। আওয়ামীলীগের দুর্নীতিবাজ, চাঁদাবাজ, ভূমিদস্যুদের কঠোর ভাবে প্রতিহত করবো। আর যারা বিএনপির নাম ব্যবহার করে দখলবাজি করছেন তাদের চিহ্নিত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
নারায়নগঞ্জ ৪ আসনের আওয়ামীলীগের সাবেক এমপি শামীম ওসমানকে উদ্দেশ্য করে অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বলেন, অনেক বার বলেছেন খেলা হবে,এখন কই আপনি আসেন খেলবেন না,,চোরের মত কেন আবার বোরকা পরে পালিয়ে গেলেন। আপনারা ভোট চুরি করে ক্ষমতায় এসেছেন। নারায়ণগঞ্জে লুটপাট, চাঁদাবাজি ও মানুষ হত্যা করেছেন। আমাদের মিথ্যা মামলা দিয়ে জেলে বন্দি করে রেখেছেন। আপনাদের এসব অপকর্মের জন্য শাস্তি পেতে হবে। তিনি আরও বলেন, নারায়ণগঞ্জে আলোচিত ত্বকি হত্যা, ৭ খুন সহ সারাদেশের সকল হত্যার বিচার করা হবে।সাংবাদিক ও আলেমদের উপর বর্বরোচিত হামলা মামলা করেছে হাসিনা পেটুয়াবাহিনী দিয়ে৷ অধ্যাপক মামুন মাহমুদ বিএনপির সকলকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানান। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক লুৎফর রহমান খোকা, আইন বিষয়ক সম্পাদক এডভোকেট শাহআলম, মহা নগর সেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি শাহআলম মাস্টার, নাসিক১ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সভাপতি গাজী মনির, ২ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, ৩ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি আফজাল হোসেন, ৪ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারন সম্পাদক শ্যামল, ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সাধারন সম্পাদক মনির হোসেন, ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মোশাররফ ও সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন, ৮ নং ওয়ার্ড সভাপতি শামসুদ্দিন, মহানগর ছাত্রদলের সাবেক সহ-সভাপতি জুয়েল রানা, সহ-সাধারন সম্পাদক স্রমাট আকবর প্রমূখ। উক্ত অনুষ্ঠানটি সভাপতিত্ব করেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহবায়ক অকিল উদ্দিন ভূইয়া। সঞ্চালনা করেন মহানগর ছাত্রদলের যুগ্ম সম্পাদক মেহেদী হাসান ফারহান।