শাহজাহান জনিঃ
কাঁচপুর হাইওয়ে থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনিরুজ্জামান এর কঠোর নজরদারিতে ঢাকা-টচট্রগ্রাম- সিলেট মহাসড়কের ৯০ কিলোমিটার মহাসড়ক এখন নিরাপদ বলে মনে করেন পরিবহন মালিক শ্রমিক ও স্থানীয়রা।মহাসড়কের এই ৯০ কিলোমিটার এর মধ্যে সকল প্রকার পরিবহন নির্বিঘেœ চলাচল করতে পারছে, যাত্রী সাধারনও এখন নিরাপদেই এই মহাসড়ক পারি দিতে পারছেন। মহাসড়কে কোন প্রকার অপরাধমূলক কর্মকান্ড কওে কোন অপরাধী এখন পালাতে পারছেনা এর কারণ হাইওয়ে কাঁচপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামানের নেতৃত্বে থানার সকল এসআইসহ অন্যান্য কর্মকর্তারা মহাসড়তে তীক্ষè দৃষ্টি রাখার কারণে। সার্বক্ষণিক মহাসড়কে কাঁচপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ টহলে রয়েছে। এছাড়া বিভিন্ন পয়েন্টে রয়েছে বিট পুলিশ। সবাই নিষ্ঠার সাথে স্ব স্ব দায়িত্ব পালন করার কারণে অপরাধ প্রবনতাও ব্যাপকভাবে কমে গেছে বলে একাধিক পরিবহন মালিক শ্রমিকরা জানান। গত প্রায় ৫ মাসে থানার অফিসার ইনচার্জ মনিরুজ্জামান এর কঠোর নজরদারির কারণে একাধিক ডাকাত, ছিনতাইকারী, মাদক ব্যবসায়ীকে গ্রেপ্তার হয়েছে। মহাসড়কের পাশে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করেছেন তিনি। কাঁচপুর হাইওয়ে থানাকে মানুষের সেবামূলক স্থানে রুপ দিয়েছেন। একাধিক পরিবহন শ্রমিকনেতা ও সাধারন শ্রমিকদের সাথে আলাপকালে তারা বলেন,আমরা এখন আর কোন প্রকার হয়রানির শিকার হইনা কাঁচপুরে হাইওয়ে পুলিশের দ্বারা। খোঁজ নিয়ে জানাগেছে, মহাসড়কে থ্রী হুইলারসহ সব ধরনের অবৈধ যানবাহনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থানে কাঁচপুর হাইওয়ে থানা পুলিশ। মহাসড়কে থ্রী হুইলার ও ব্যাটারি চালিত ইজিবাইক ও রিকশা পেলে পুলিশ সেগুলো আটক কওে জরিমানা করছেন। কাউকে কোন প্রকার ছাড় দিচ্ছেননা। ওসি মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, মানুষের সেবার জন্য এসেছি, হয়রানি করার জন্য নয়, অতীতে এই থানায় কে কি করছে সেটা জানিনা তবে আমি জনগনের জন্য কতটুকু করছি সেটা জনগনই দেখছেন। থানায় কোন প্রকার সমস্যা নিয়ে গেলে ওসি মনিরুজ্জামান অতি সহজে ওই ব্যক্তির সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করেন বলে একাধিক ভুক্তভোগী জানান। তারা আরও বলেন,কাঁচপুর হাইওয়ে থানা এখন সেবার স্থলে পরিনত হয়েছে।