রবিবার, ১০ই মে, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৭শে বৈশাখ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,
২৩শে জিলকদ, ১৪৪৭ হিজরি, সকাল ৯:২১

শিমরাইলমোড়ে এটিএসআই বাহারের নিরব চাঁদাবাজি

তাজুল ইসলামঃ
ঢাকা চট্রগ্রাম মহাসড়কের সিদ্বিরগঞ্জের শিমরাইলমোড়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা ট্রাফিক বিভাগের এটিএসআই বাহারের বিভিন্ন পরিবহনে চলছে নিরব চাঁদাবাজি। মোটর সাইকেল, পিকাপ, ছোট কনটেইনার, লেগুনা, সিএনজি, মাইক্রেবাস, ইজিবাইক, ও দূরপাল­াগামী মাল বোঝাই ট্রাক ও আইটে আসা বাস মিনিবাস আটক করে কাগজপত্র নিয়ে শিমরাইল পুলিশ বক্স্রে বসে মেতে উঠেন সামারিতে। কাকডাকা ভোরে শিমরাইলমোড়ে ছুটে এসেই প্রথমেই ৫- ৭ টি বিভিন্ন যানবাহন আটক করে কাগজপত্র নিয়ে বক্স্রে বসেন। এ পর্যায়ে গাড়ির চালকরা এটিএসআই বাহারের পিছনে পিছনে ঘুরতে থাকেন এবং দরদাম হাকতে থাকেন গাড়ি ছাড়িয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য। এটিএসআই বাহার গাড়ি চালকদের ভয়ভীতিও দেখান রেকার বিল করার এবং গাড়ির নামে নতুন ধারায় মামলা দিয়ে ফাঁসিয়ে দেওয়ার। শিমরাইলমোড়ে রেকার এর এটিএসআই রাশেদুল এর অনুপস্থিতিতে এবং বেশরি ভাগ সময় সার্জেন্ট না থাকার সুযোগটি কাজে লাগিয়ে এটিএসআই বাহার এই অপকর্মটি করে যাচ্ছেন বেশ কিছুদিন ধরে। গত ১০ দিনের প্রত্যেক দিন এর পর্যালোচনা ও অনুসন্ধনে এবং ভুক্তভোগী গাড়ির চালকদের অভিযোগে জানাগেছে প্রতিদিন সকাল ১০ টার মধ্যে বাহারের ১০ হাজার থেকে ১৫ হাজার টাকা উপার্জন হয় গাড়ি আটক বাণিজ্য করে। এর পর কিছুটা নমনীয় হয়ে আবারও বিকেল থেকে সন্ধ্যার পর পর্যন্ত ওই সকালের মতোই আটক বাণিজ্যে মেতে উঠেন এটিএসআই বাহার। এটিএসআই বাহারের পরিবহনের নিরব চাঁদাবাজিতে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছে পরিবহন সেক্টরের একটি অংশ। এটিএসআই বাহারের মাসোয়ারা করা বেশ কিছু সিএনজি, কার্গো, লেগুনা, কনটেইনার ও পিকাপ রয়েছে। প্রতি মাসে মাসোয়ারা হিসেবে মোটা অংকের টাকা আদায় করেন বাহার। শিমরাইলমোড়ে প্রথম এসে বাহার ভাল করে ডিউটি করে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের মন কেড়ে নিয়ে এখন ডিউটির নামে করছেন নিরব চাঁদাবাজি। সকাল থেকে সন্ধ্যার পর পর্যন্ত যে সকল যানবাহন আটক করে কাগজপত্র নিয়ে থাকেন বাহার সে গুলো তিনি কি করেন কার ইশারায় টাকা নিয়ে ছেড়ে দেন এ প্রশ্ন শিমরাইলবাসীসহ গাড়ির মালিক ও চালকদের। প্রতিদিন এটিএসআই বাহার ২০-২৫ টি গাড়ির কাগজপত্র নিয়ে থাকেন। মাঝে মধ্যে এই হার আরো বেশী হয়। সার্জেন্ট ও রেকার না থাকায় বাহার একাই সব কিছু নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন। একাধিক গাড়ির মালিক ও শ্রমিক নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জানায়, শিমরাইলমোড়ে যে সার্জেন্ট, ও এটিএসআই আসুক না কেন তারা এসেই টাকার পিছনে ছুটে বিভোর হয়ে যায়। সড়কে দাঁড়ালেই ডানে বামে যানবাহন আটক করলেই হাজার হাজার টাকার নেশায় আসক্ত হয়ে পড়ে তেমনি এটিএসআই বাহারও বাদ যায়নি এই অবৈধ টাকার নেশা থেকে।

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন

এই বিভাগের আরও খবর


ফেসবুকে আমরা