শাহজাহান জনিঃ
হাইওয়ে পুলিশ গাজীপুর রিজিয়নের আওতাধীন ঢাকা – চট্রগ্রাম – সিলেট মহাসড়কের সাইনবোর্ড , শিমরাইল, কাঁচপুর, মেঘনা ঘাট, ভবেরচর, তারাব, ভুলতা গাউছিয়া এলাকায় নেই কোন যানজট। শুক্রবার সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত বিভিন্ন স্পটে ঘুরে দেখা যায়, ঈদঘরমুখো মানুষের চাপ প্রতিদিনই বাড়ছে, যানবাহন চলছে স্বাভাবিক গতিতে। সাইনবোর্ড থেকে শিমরাইল পর্যন্ত কয়েকটি কাটা ক্রসিং বন্ধ করে দেওয়ায় এখন আর উল্টাপাল্টা যানবাহন ঘোরানোর কোন সুযোগ নেই। তাছাড়া হাইওয়ে পুলিশের সাথে অতিরিক্তি পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। ঈদ ঘরমুখো পূর্বাঞ্চলীয় ১৮ টি জেলার অগনিত মানুষ এই শিমরাইল, তারাব, ও কাঁচপুর এলাকা অতিক্রম করে। হাইওয়ে পুলিশ কঠোর অবস্থানের কারণে মহাসড়কে নির্বিঘেœ চলছে সব ধরনের যানবাহন। দূরপালাগামী বাসের কাউন্টার মালিকদের সাথে আলাপকালে তারা জানিয়েছে অগ্রিম টিকিট বিক্রি শেষ। শনিবার পোশাক শিল্প বন্ধ হলে শনিবার রাত থেকে বিশেষ করে রোববার ভোর রাত থেকে মহাসড়কে যাত্রীদের ব্যাপকভাবে চাপ বাড়বে। প্রতিবছর ঈদ এলেই মহাসড়কে চাঁদাবাজদের দৌরাত্ম্য দেখা যেত। কিন্তু হাইওয়ে পুলিশ এতই কঠোর যে মহাসড়কে কোন চাঁদাবাজ পরিবহন থেকে কোন প্রকার চাঁদা উত্তোলনের সুযোগ পায়নি। একাধিক পরিবহনের মালিক ও শ্রমিকরা বলেন,পুলিশের কোন হয়রানি নেই,হাইওয়ে পুলিশের কঠোর অবস।থানের কারণে চাঁদাবাজরাও চাঁদা নেয়না, নেই মহাসড়কে কোন যানজট। এদিকে গত বৃহস্পতিবার দুপুরে হাইওয়ে পুলিশ গাজীপুর রিজিয়নের পুলিশ সুপার আলী আহম্মদ খান মহাসড়কের সাইনবোর্ড, শিমরাইল, কাঁচপুর,ভবেরচরও ভুলতা এলাকা পরিদর্শন করেছেন। এ সময়ে তিনি মহাসড়কে ঈদঘরমুখো যাত্রীদের যানজটমুক্তভাবে নির্বিঘœ চলাচলের জন্য নির্দেশনা দেন প্রতিটি ইউনিটের কর্মকর্তাদের। মহাসড়কে রয়েছে, পোশাকধারী পুলিশের পাশাপশি রয়েছে একাধিক মোবাইল টিম, হোন্ডা টিম, ও সাদা পোশাকে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। শুক্রবার দুপুর ১২ টায় শিমরাইলে গিয়ে দেখা যায় মহাসড়ক অনেকটাই ফাকা যানবাহনের যেমনি চাপ নেই তেমনি যাত্রীদেরও চাপ নেই৷ পরিবহনের সাথে সংশ্লিষ্টরা জানায়, হাইওয়ে পুলিশ ঈদঘরমুখা যাত্রীদের জন্য মহাসড়কে আন্তরিকভাবে কাজ করছে৷