ইসমাইল হোসেন
ব্যস্ততম মহাসড়কের নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের শিমরাইলে মহাসড়ক ও মহাসড়ক ঘেষে সহ্রসাধিক অবৈধ দোকানপাট ও স্থাপনা বসানোর কারণে জনসাধারন চলাচলে ও যানবাহন চলাচলেও নানা দুর্ভোগ ও প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। বিভিন্ন দৈনিকে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হলেও মহাসড়কের পাশে এবং সড়কের একাংশের উপর অবৈধ স্থাপনা ও দোকানপাট উচ্ছেদ না করায় জনমনে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। সাধারন মানুষের ভাস্য হাইওয়ে পুলিশ কেন এসব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করছেনা। উচ্ছেদ না করার কারণে এখানে প্রকাশ্যে চলছে প্রতিদিন লক্ষাধিক টাকা চাঁদা উত্তোলন। যানবাহন ও জনসাধানের চলাচলের রাস্তা ও ফুটপাত দখল করার কারণে একদিকে যেমন যানবাহন চলাচল করতে পারছেনা তেমনি ব্যস্ততম এই শিমরাইলের প্রতিদিন লাখ লাখ লোক চলাচল করতে গিয়ে চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন। অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের বিষয়ে হাইওয়ে পুলিশ রহস্যজনক কারণে রয়েছে নিরব থাকায় সাধারন মানুষের মধ্যে নানা প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। হাইওয়ে পুলিশের উচ্ছেদ অভিযান বন্ধ থাকায় একটি চাঁদাবাজ চক্র প্রতিদিন লাখ লাখ টাকা চাঁদা উত্তোলন করার সুযোগ পাচ্ছে। তবে চাঁদাবাজ চক্রের প্রধান রিপন ওরফে মুরগী রিপনকে সিদ্ধিরগঞ্জ থানা পুলিশ গ্রেপ্তার করে জেল হাজতে পাঠিয়েছে। কিন্তু রিপনের সেকেন্ড ইন কমান্ড জামাল ও তার সহযোগীরা প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে প্রতিটি দোকান থেকে ২০০- ৪০০ করে টাকা চাঁদা উত্তোলন কাজ নির্বিঘেœ চালিয়ে যাচ্ছে। কেউ চাঁদা প্রদানের অস্বীকৃতি জানালে তাকে নানাভাবে হুমকি ধমকি দেওয়া হচ্ছে বলে সাধারন দোকানীদের অভিযোগ। হাইওয়ে পুলিশের চোখে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এই চাঁদাবাজ চক্রটি মহাসড়ক ও ফুটপাত দখল করে বীরদর্পে চালাচ্ছে তাদের চাঁদাবাজি কার্যক্রম। ভুক্তভোগী দোকানীদের অভিযোগ চাঁদাবাজ জামাল ও তার সহযোগীদের অত্যাচারে তারা রীতিমতো অতিষ্ঠ। জামালকে তার চাহিদা মোতাবেক চাঁদা প্রদান না করলে মারধরকরণসহ দোকান বন্ধ করতেও জামাল দ্বিধাবোধ করেনা। এদিকে মহাসড়কের দক্ষিপাশে সড়ক বন্ধ করে এই দোকানপাট গড়ে তোলার কারণে যানবাহন চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিসহ নানা সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে এই অঞ্চলবাসীকে।