বুধবার, ২৪শে জুন, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ১০ই আষাঢ়, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,
৯ই মহর্‌রম, ১৪৪৮ হিজরি, দুপুর ১:১৮

আদমজী বিহারী ক্যাম্পের অবাঙ্গালীরা দূবির্ষসহ জীবন যাপন করছে

নুরজাহান ভুঁইয়াঃ
তারা সুবিধাবঞ্চি অবহেলিত নিপিড়ীত নির্যাতিত আটকাপড়া পাকিস্তানি, তারা আর কতটাকতকাল হীন মানবেতর জীবন যাপন করবে? এ প্রশ্ন আজ আদমজী বিহারী ক্যাম্পের কয়েক হাজার মানুষের।নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিররগঞ্জ আদমজীনগর বিহারী ক্যাম্পে প্রায় ২৪ একর জায়গায় নিয়ে গড়ে উঠেছে এ ক্যাম্পটি। এখানে বসবাস করছেন ২৭ শ, পরিবারের কয়েক হাজার মানুষ। পাকিস্তানি দাতব্য প্রতিষ্ঠানে রাবেতা আলম আলইসলামের অর্থায়নে স্থানীয় এনজিও ওর সহযোগিতার স্কুল মাদ্রাসা সহ বিভিন্ন সামাজিক কার্যক্রম চলে এখানে। ক্যাম্পের ভিতরে গেলে দেখা যায় তাদের মানবেতর জীবন যাপন অবস্থা। কত কষ্টে আছে এখানকার মানুষ।বিশাল এক বস্তি বললেই চলে এ ক্যাম্পটিকে। রাস্তাঘাট নেই বললেই চলে, যা আছে তাও আবার অনেকটাই ভা্গংচোরা ও কাঁচামাটির। ময়লা আবর্জনায় কানায় কানায় পূর্ণ, রাস্তা খুরেই ড্রেন বানানো হয়েছে, সেই ড্রেনে যেই পুকুরে মিশেছে সেই পুকুরের পানিরও অভাব। ১২ ফুট বাই ১২ ফুট লম্বা একটি ঘরে ছয়-সাত জন লোক বসবাস করছে। এক বাসা থেকে আরেক বাসায় যাওয়ার রাস্তা বলতে কিছুই নেই। বাসিন্দারা প্রতিদিন যেসব ময়লা আবর্জনা ফেলে তা পুরন হয়ে তৈরি হয়রাস্তা। ওই ময়লার ভাগাড় দিয়ে মানুষ রাস্তা ভেবেই চলাচল করে। এক অমানবিক পরিবেশ এ ক্যাম্পে।আদমজী ক্যাম্পের এরা যে শুধু মানবেতর জীবন যাপন করে তা না দেখলে বিশ্বাসই করা যাবেনা।এখানকার শিশুদের শিক্ষা ব্যবস্থা অনেক পিছিয়ে রয়েছে। তাদের না আছে এখানকার শিশুসহ বয়স্কদের না আছে স্বাস্থ্যসম্মত খাবার, না আছে বিশুদ্ধ পানি। চিকিৎসা ব্যবস্তা আরো বেহাল। হাতুড়ে ডাক্তার দিয়ে মেডিকেল সার্ভিস দেওয়া হয়। শশুদের নেই কোন খেলার মাঠও।কয়েক বছর আগে এখানে তাদের পুর্নবাসনের লক্ষে নতুন ক্যাম্প তৈরি করা হয়।ক্যাম্পের প্রতেক বাসায় বৈদুতিক সংযোগও দেয়া হয়। তবে সমস্যা আরেক সমস্যা হচ্ছে আগে এই ক্যাম্পে ৩৭ একর জমি ছিল. কিন্তু এখন সেখানে বরাদ্দ করা হয়েছ মাত্র ১২ একর জায়গা! অনেক ঠাসাঠাসি করে নোংরা পরিবেশে এখানকার কয়েক হাজার মানুষ মানবেতর জীবন যাপন করছে।

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন

এই বিভাগের আরও খবর


ফেসবুকে আমরা