সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
নারায়ণগঞ্জ সিটিকরপোরেশনের ১ নং ওয়ার্ডের হিরাঝিল আবাসিক এলাকার ১১ নং গলিতে অবসর প্রাপ্ত পুলিশ সদস্য শামসুল এর ছোট ছেলের ধারালো ছুরি দিয়ে বড় ভাইকে কুপিয়ে রক্তাত্ত জখম করেছে। গত শুক্রবার বিকেলে এ ঘটনাটি ঘটে।ফারজান আক্তার সাথী (২৩) বাদী হয়ে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হয়েছে ।অভিযোগকারীরা হলেন শমছুল হক মিয়াজী( ৬৮) কামাল মিয়াজী (৪৫) শরীফ মিয়াজী (৩৮)হাবিব উল্লাহ(৩০)সাহেরা বেগম (২৮) সকলেই হীরাঝিল আবাসিক এলাকার বাসিন্দা। আরিফের স্ত্রী সাথী বলেন আমার শ্বশুর,ভাসুর ,ননদও দেবর পৈত্তিক সম্পতি নিয়ে বিগত কয়েক বছর পূর্ব থেকে আমার স্বামীর সাথে শত্রুতা পোষন করে আসছে। শ্বশুর আমার ফ্ল্যাটে এসে এসির পানির পরা কে কেন্দ্র করে অকথ্য ভাষায় গালমন্দ করতে থাকে।আমার স্বামী প্রতিবাদ করলে দেবর হাবিবুল্লাহ সহ অভিযোগকারীরা ধারালো ছুরি নিয়া আমার স্বামীকে মাথায় লক্ষ্য করে পিঠে ,পেটেসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে।কামাল ও হাবিবুল্লাহ আমার চুলকে মুঠি ধরে টানা হেচড়া করে মেঝেতে ফেলে কাপড় টানা হেচরা করে শ্লীলতাহানীসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা জখম করে।ননদ সাহেরা খাতুন এলোপাতাড়ী লাথি মেরে তলপেটেবিভিন্ন স্থানে নীলাফুলা ও রক্ত জমাট জখম করে।কামাল মিয়াজী আমার আলমারী থেকে ৩ লক্ষ টাকা নিয়া গালমন্দ করে ও প্রাণ নাশের হুমকি প্রদান করে।একই এলাকায় আমার বোন বসবাস করে আমাদের রক্ষার জন্য বোন মিশু এগিয়ে এলে শ্বশুর বোনকে গলায় চেপে ধরে হত্যার চেষ্টা করে। আশ পাশের লোকজন আমাকে ও আমার স্বামীকে উদ্ধার করে নারায়ণগঞ্জ ভিক্টোরিয়া হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে ডাক্তার দেখানোর পর আরিফকে আমার বাবার বাসায় নিয়ে আসার পর তার অবস্থার অবনতি হলে তাকে স্থানীয় সুগন্ধা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। আরিফ এখন মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছে । সিদ্ধিরগঞ্জ থানার এসআই রিপন ঘটনার স্থলে আসেন এবং তদন্ত করেন। এস আই রিপন জানান ,তাদের পারিবারিক সমস্যার কারণে এই ধরণের ঘটনা ঘটেছে। ফারজান আক্তার সাথী বাদী হয়ে থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছে । ঘটনা তদন্তাধীণ রয়েছে বলে এআই রিপন জানান।