স্টাফ রিপোর্টারঃ
গাজীপুর রিজিয়ন পুলিশের কাঁচপুর হাইওয়ে থানার সুযোগ্য ও সফল অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনিরুজ্জামান চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় তার বিরুদ্ধে গভীর ষড়যন্ত্র চলছে বলে জানাগেছে। চাঁদাবাজ সন্ত্রাসীরা ওসিকে তাদের পাতানো ফাঁদে ফেলে সুবিধা নিতে না পারার কারণে এই মানবিক পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। কাঁচপুরের বিভিন্ন এলাকায় ঘুরে বিভিন্ন পেশাজীবি মানুষের সাথে আলাপকালে তারা জানিয়েছেন, পরিবহন চাঁদাবাজ, ফুটপাত দখলকারী চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের কাঁচপুর হাইওয়ে থানায় এখন আর স্থান নেই। গত ১৩-৯-২০২০ তারিখ ওসি মোঃ মনিরুজ্জামান কাঁচপুর হাইওয়ে থানায় যোগদান করার পর থেকে ফুটপাত ও পরিবহন সেক্টর থেকে ওই সংঘবদ্ধ চক্রটি সুবিধা নিতে না পেরে দিশেহারা হয়ে উঠেছে। ওসিকে ম্যানেজ করার জন্য নানা ভাবে ফন্দি ফিকির ও বিভিন্ন পেশার লোকদের লেলিয়ে দিয়েও ব্যর্থ হয়েছেতাদের চাঁদাবাজির মিশন। কিন্তু ওসি নাছোরবান্দা, চাঁদাবাজদের সাথে তার কোন সম্পর্ক হবেনা, সম্পর্ক থাকবে সাধারন মানুষের সাথে। এই নীতি নিয়ে চলতে চান ওসি মনিরুজ্জামান। কাঁচপুরের মাহবুবব নামে এক ফল ব্যবসায়ী বলেন, সরকারী জায়গায় বসলে হাইওয়ে পুলিশ আমাদের উঠিয়ে দেয় কিন্তু তাদেরকে কোন টাকা দিতে হয়না। আরেক ফল ব্যবসায়ী মোঃ দুলাল বলেন,অতীতে কাঁচপুর হাইওয়ে ওসি স্যারেরা এবং দারোগারা যে সকল কর্মকান্ড করেছে তা বলে শেষ করা যাবেনা। অতীতে কাঁচামাল ও ফল ব্যবসায়ীদের হাইওয়ে নিয়ে আটক করে মোটা অংকের টাকা আদায় করতো বলে একাধিক ব্যবসায়ী জানিয়েছেন অত্যন্ত ক্ষোভের সাথে। তারা আরও জানায়, বর্তমানে হাইওয়ের ওসি মনির স্যার যোগদান করার পর থেকে তিনি সব সময় বলেছেন ফুটপাতে কোন দোকান করা যাবেনা,সরকারী জায়গা ছেড়ে মালিকানা জায়গায় ব্যবসা করতে হবে। আমরা যারা ফুটপাতে ব্যবসা করি আমাদেরকে প্রায় প্রতিদিনই ফুটপাত থেকে হাইওয়ে পুলিশ উঠিয়ে দেন কিন্তু কোন সময় টাকা নেয়না। আমরা ফাঁক বুঝে ফুটপাতে বসি পুলিশ দেখলেই দোকান নিয়ে মুহুর্তেই পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করি। পরিবহন ব্যবসায়ী মোঃ গিয়াস উদ্দিন বলেন, পরিবহন ব্যবসা প্রায় ৩০ বছর পার করলাম কিন্তু কাঁচপুর হাইওয়ের ওসি মনিরুজ্জামান স্যারের মতো এরকম সৎ, ভদ্র ,বিনয়ী ও সদালপী পুলিশ কর্মকর্তা দেখিনি, তিনি আরও বলেন বাস্তবে তিনি পুলিশের একজন গর্বিত সদস্য বটে। মোঃ হাদিসুর রহমান নামে আরেক পরিবহন মালিক বলেন, আমি কাঁচপুর হাইওয়ে থানায় গিয়েছিলাম গত দু মাস আগে। ওসি স্যারের রুমে ঢুকলাম, সালাম দিলাম, স্যার আমাকে বসতে বললেন এবং জানতে চাইলেন ভাই কি উপকার করতে পারি আপনার। হাদিসুর রহমানতো তার কথা শুনে মুগ্ধ। তার পরিবহন সাথে আরেকটি পরিবহনের সমস্যা হয়েছিল হাইওয়েতে। তিনি দুই পরিবহনের মালিক ডেকে ওই দিনই বিষয়টি সমাধা করে দিয়েছেন। বিনিময়ে ওসি স্যারকে উভয় পরিবহন মালিককে কিছুই দিতে হয়নি, দুজনেকে চা পানি ও বিস্কুট খাইয়ে দিয়েছেন ওসি স্যার জানান হাদিুসর রহমান। ওই গাড়ির মালিক আরও বলেন ওসি স্যার এক উদার মনের মানুষ। সমাজে ভাল কাজ করতে গিলে স্বার্থন্বেস্বী গুটি কয়েক মানুষ থাকে বিরোধিতা করার জন্য। কারণ তারা তাদের স্বার্থ হাসিল করতে পারেনা। তেমনি কাঁচপুর হাইওয়ের ওসি মনিরুজ্জামান দীর্ঘ প্রায় ৮ মাস ধরে নিরলসভাবে মানুষকে দিন রাত অবিরাম সেবা দিয়ে আসছেন। তার সেবায় মানুষ সন্তুষ্ঠু হলেও কতিপয় সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ সুবিধা নিতে না পারার কারণে মানবিক গুনে গুনাম্বিত চৌকস ও কর্মঠ কাঁচপুর হাইওয়ের সফল অফিসার ইনচার্জ মোঃ মনিরুজ্জামান এর বিরুদ্ধে মিথ্যা অপবাদ দিয়ে তাকে হেয় করার চেষ্টা করা হচ্ছে। পরিবহন, ব্যবসায়ীসহ কাঁচপুর শিল্পাঞ্চলের লাখো মানুষ সৎ নির্ভীক পুলিশ অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান এর পাশে আছে বলে জানাগেছে। তারা আরও বলেন, চাঁদাবাজ ষড়যন্ত্রকারীরা নীতিবান পুলিশ অফিসার মোঃ মনিরুজ্জামান এর সত্য ও ন্যায়ের কাছে ধুলিঝঁড় মতো হয়ে উড়ে যাবে। কাঁচপুর হাইওয়ে ওসি মোঃ মনিরুজ্জামান বলেন, সাংবাদিকতা একটি মহান ও মহৎ পেশা, আমি এই পেশাকে যথেষ্ট সন্মান করি, শ্রদ্ধা করি, তিনি বলেন,সত্যটা লিখেন যদি আমার বিরুদ্ধেও যায় তাতে কোন আপত্তি নেই, মানুষকে সেবা দিতে এসেছি, ন্যায় নিষ্ঠার সাথে দায়িত্ব পালন করছি, মানুষকে সেবা দেওয়াই আমার প্রধান কাজ। তিনি স্পষ্ট করে জোরালো কণ্ঠে বলেন, আমার বিরুদ্ধে যতই ষড়যন্ত্র করা হোকনা কেন ফুটপাতে, পরিবহনে কোন প্রকার কাউকে চাঁদাবাজি করতে দেওয়া হবেনা।