শনিবার, ৮ই আগস্ট, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ, ২৪শে শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ,
২৫শে সফর, ১৪৪৮ হিজরি, সন্ধ্যা ৭:৫০

কাঁচপুর বিসিক থেকে পোশাক চুরির সংঘবদ্ধ চক্রের ৮সদস্য গ্রেপ্তার

সিদ্ধিরগঞ্জ প্রতিনিধিঃ
গোপন তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১, সিপিএসসি’র একটি দল বৃহস্পতিবার বিকেল ৪ ঘটিকার সময় কাঁচপুর শিল্পনগরী এলাকায় প্রিমিয়াম বেভারেজ ফুড এন্ড ড্রিংকিং ওয়াটার লিমিটেড ফ্যাক্টরীতে অভিযান চালিয়ে পোশাক চুরি সংঘবদ্ধ চোর চক্রের ৮ জন সক্রিয় সদস্যকে হাতে-নাতে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তারকৃতরা হলো মোঃ লিটন (২০), মোঃ দুলাল (৩৫), মোঃ লোকমান চৌকিদার, মোঃ আলাউদ্দিন (৩১), মোঃ শাকিল (১৭), মোঃ মোস্তফা (৪১), মোঃ মিনহাজ আহম্মেদ (৩৫) এবং মোঃ রুবেল(২৪) এসময় তাদের কাছ থেকে কোটি টাকার রপ্তানিজাত চোরাই পোশাকসহ ১টি কাভার্ডভ্যান উদ্ধার করা হয়।র‌্যাবের এক প্রেসবিঞ্জপ্তিতে জানায়, নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা থানাধীন অপ্টিমাম ফ্যাশন ওয়ের লিঃ ফ্যাক্টরীর রপ্তানিজাত পোশাকভর্তি কাভার্ডভ্যান শিপমেন্টের জন্য চট্টগ্রাম বন্দরে যাওয়ার পথে কাঁচপুর বিসিক এলাকায় অবস্থিত প্রিমিয়াম বেভারেজ ফুড এন্ড ড্রিংকিং ওয়াটার লিমিটেড ফ্যাক্টরীর ভিতর কাভার্ডভ্যান ঢুকিয়ে উক্ত ফ্যাক্টরীর কিছু অসাধু কর্মচারী এবং কাভার্ডভ্যানের অসাধু চালক ও হেলপারের যোগসাজশে একটি সংঘবদ্ধ চোরচক্র রপ্তানিজাত পোশাক চুরি করে আসছিল। এই চোরচক্র রপ্তানিজাত পোশাকভর্তি কাভার্ডভ্যান তাদের সুবিধামত স্থানে নিয়ে শিপমেন্টের জন্য প্রস্তুত করা পোশাকভর্তি কার্টুন খুলে অভিনব কায়দায় প্রতিটি কার্টুন হতে ১০ থেকে ২০টি করে পোশাক চুরি করে আত্মসাৎ করে আসছে। তাদের এসকল চুরির ফলে গার্মেন্টস মালিকগণ আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হতো এবং চাহিদা ও অর্ডার অনুযায়ী শিপমেন্ট দিতে না পারায় বিদেশী ক্রেতাদের নিকট দেশের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন হতো। এ সকল অবৈধ চোরাই কার্যকলাপের প্রেক্ষিতে র‌্যাব-১১ এর একটি বিশেষ দল গোয়েন্দা নজরদারী চালিয়ে সাড়ে বিকেল ৪ ঘটিকার সময় কাঁচপুর শিল্পনগরী এলাকায় অবস্থিত প্রিমিয়াম বেভারেজ ফুড এন্ড ড্রিংকিং ওয়াটার লিমিটেড ফ্যাক্টরীর ভিতর কাভার্ডভ্যান হতে পোশাকভর্তি কার্টুন খুলে রপ্তানিজাত পোশাক চুরির সময় কোটি টাকার রপ্তানিজাত চোরাই পোশাকভর্তি ১টি কাভার্ডভ্যান উদ্ধারসহ উল্লিখিত আসামীদের হাতে-নাতে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেফতারকৃত আসামীরা স্বীকার করে যে, তারা সংঘবদ্ধ চোরাই চক্রের সক্রিয় সদস্য। ভবিষ্যতে এই সংঘবদ্ধ চোরাইচক্রের পলাতক সদস্যদের আইনের আওতায় আনতে র‌্যাবের গোপন অনুসন্ধান ও কঠোর নজরদারী অব্যাহত থাকবে। গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।

ফেসবুক থেকে মন্তব্য করুন

এই বিভাগের আরও খবর


ফেসবুকে আমরা